Loading...
Thursday, April 30, 2015

Sunny Leon

সানি লিয়ন
ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতে এসেই তুমুল ঝড় তুলেছেন ইন্দো-কানাডিয়ান বংশোদ্ভূত পর্নো তারকা সানি লিওন চলচ্চিত্রপ্রেমীরা মনে করেন, তার ফিল্মি ক্যারিয়ারে অনেকখানি সহায়তা করেছে অতীতে তার পর্নো জীবন সকাল দুপুর নগ্ন আর ভগ্নতার সঙ্গে যার পাশা খেলা, জিসম টুতে তার খেলতো সামান্যই দেখেছে তামাম মুম্বাই-মুলুক সামনে তিনি আরো চমক দেখাতে চান মুম্বাইয়ে


বর্তমান ঘটনা যাই হোক, ৩১ বছরের লাস্যময়ী সানি অন্য দশজন সাধারণ মানুষের মতোই ছিলেন নিজের উত্তাল জীবনের ব্যতিক্রমী পথচলার ইঙ্গিত দিয়ে পরবর্তী সময়ে প্রথম চুম্বনটি করে বসেন তার সহপাঠীকে আর স্কুল না পেরোতেই এক বাস্কেট বল খেলোয়াড়ের প্রেমে পড়েন তিনি জীবনের প্রথম প্রেমের ছোয়ায় ১৬তে পৌঁছেই কুমারীত্ব বিসর্জন দেন কারো প্ররোচনার ধার ধারেননি স্বেচ্ছায় সেই জীবনের পথে হেঁটে গেছেন, খেয়াল খুশী মতো চলেছেন
কানাডার ওন্টারিওর সার্নিয়া শহরে সানির জন্ম ১৯৮১ সালের ১৩ মে শিখ ধর্মাবলম্বী সানির বয়স যখন ১৪ বছর, তখন তার পরিবার কানাডা থেকে মিশিগানে পাড়ি দেয় পরে ক্যালিফোর্নিয়ার লেক ফরেস্টে পাকাপাকিভাবে বসবাস শুরু করে সানির পরিবার

জীবন শুরু যেভাবে
লিওন সার্নিয়া, অন্টারিও শহরে শিখ পাঞ্জাবি বাবা-মার ঘরে জন্ম নেন তাঁর বাবা তিব্বতে জন্মগ্রহণ করেন এবং দিল্লিতে বেড়ে ওঠেন, আর তাঁর মা (২০০৮ সালে ​​মারা যান)  ছিলেন সিরমাউর, হিমাচল, প্রদেশের মেয়ে তরুণী থাকাকালীন তিনি খুব খেলাধুলা-প্রেমী ছিলেন এবং ছেলেদের সাথে রাস্তায় হকিও খেলতেন এবং পরবর্তীতে কাছাকাছি হিমায়িত হ্রদের উপর আইস স্কেটিং

যেহেতু তাঁর পরিবার শিখ ছিলো,  একারণে পাবলিক বিদ্যালয়ে যাওয়ার বিষয়ে অনিরাপদ বোধ করতো তাঁর পরিবার ১৬ বছর বয়সে অন্য বিদ্যালয়ের একটি বাস্কেটবল খেলোয়াড়ের সাথে তাঁর কুমারীত্ব হারান, এবং ১৮ বছর বয়সে তাঁর উভকামিতা আবিষ্কার করেন ১৩ বছর বয়সে, তাঁর পরিবার ফোর্ট গ্রাটিয়ট, মিশিগান চলে আসেন, পরবর্তীতে এক বছর পর লেক ফরেস্ট, ক্যালিফর্নিয়ায়[  স্থানান্তর হন তাঁর নানীরা স্বপ্ন পূরণে গোটা পরিবার এক জায়গায় একসাথে থাকার জন্যে


‘বিগ বস ৫ -এর অন্যতম হাউসমেট। আর তারপরই একেবারে মহেশ ভাট ক্যাম্পের ‘জিসম ২ দিয়ে বলিউডে আত্মপ্রকাশ। টিনসেল টাউনে এমন স্বপ্নের পদার্পণ তারকা পুত্র-কন্যাদের ভাগ্যেও জোটে কিনা সন্দেহ। আর তাই পর্নস্টার থেকে বলিউড বেব-এ উত্তরণ হওয়া সানি লিওন এখন অনেকেরই চক্ষুশূল।

কিন্তু বলিউডে আসার আগে কেমন ছিল সানির জীবন? কেমন ছিল পর্নফিল্মে তাঁর দীর্ঘ যাত্রাপথ? ক্যামেরার পিছনেই বা কেমন ছিল তাঁর জীবন যাত্রা? সম্প্রতি একটি জনপ্রিয় বিনোদন ওয়েবসাইটে নিজের জীবনের সেই গল্পই শুনিয়েছেন সানি। কীভাবে কারেন মালহোত্রা থেকে সানি লিওন হয়ে উঠলেন এই ইন্দো-কানাডিয়ান পর্নস্টার।

নীল রঙিন দুানয়ায় আসার আগে তিনি প্রথমে একটি জার্মান বেকারিতে কাজ করেন, জিফি লুবে, এবং পরবর্তীতে একটি ট্যাক্স এবং রিটায়ারমেন্ট ফার্মে কাজ করেন।

অরেঞ্জ কাউন্টিতে পিডিঅ্যাট্রিক নার্স হিসেবে অধ্যয়নকালে, জন স্টিভেনসের সাথে তাঁর পরিচয় করিয়ে দেন এক বহিরাগত নৃত্যশিল্পী সহপাঠী স্টিভেনস, যিনি একজন ​​এজেন্ট ছিলেন, পরবর্তীতে পেন্টহাউস ম্যাগাজিনের আলোকচিত্রী জে অ্যালেনের সাথে লিয়নের পরিচয় করিয়ে দেন তাঁর প্রাপ্তবয়স্ক কর্মজীবনের জন্য একটি নাম ঠিক করতে, তিনি আসল নাম হিসেবে সানি নামটি উল্লেখ করেন এবং লিয়ন নামটি ঠিক করেন পেন্টহাউস ম্যাগাজিনের সাবেক মালিক বব গুচ্চিওনে  তিনি পেন্টহাউস ম্যাগাজিনের জন্য পেন্টহাউস পেট অব দ্য মান্থ হিসেবে মার্চ ২০০১ সংখ্যার জন্যে ক্যামেরার সামনে দাঁড়ান, পরবর্তীতে হলিডে ফিচারে হাস্টলার হানি হিসেবে হাস্টলার ম্যাগাজিনের ২০০১ সংস্করণে অনেকগুলো ম্যাগাজিনের কাভার গার্ল হবার সুযোগ পান তিনি; এরমধ্যে রয়েছে, চেরি, মায়েস্টিকু ম্যাগাজিন, হাই সোসাইটি, শয়ান্ক, এভিএন অনলাইন, লেগ ওয়ার্ল্ড, ক্লাব ইন্টারন্যাশনাল এবং লোরিডার এরপর তাঁর অনলাইন ক্রেডিটে মডএফএক্স মডেলে হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়, সুসে রান্ডাল, কেন মার্কাস এবং ম্যাক এ্যন্ড বাম্বেল তাঁর সচিত্র ক্রেডিটে আদ্রিয়ানা সেজ, জেনা জেমসন, জেলেনা জেনসেন এবং আরিয়া জিওভান্নি এছাড়াও বিভিন্ন তারকাদের সাথে কাজ করার সুযোগ পান


২০০৩ সাল সানির ক্যারিয়ারের টার্নিং পয়েন্ট তিনি নির্বাচিত হনপেন্টহাউস পেট বছরই পর্ণো ছবির অন্যতম সেরা নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ভিভিড ইন্টারটেইনমেন্টের সঙ্গে তিন বছরের চুক্তিতে আবদ্ধ হন তবে চুক্তির শর্ত অনুসারে কেবল লেসবিয়ান চরিত্রেই অভিনয় করতে থাকেন তিনি সানি অভিনীত প্রথম ছবিটি বের হয়সানি নামেই  ২০০৫ সালের ডিসেম্বর মাসে ভিভিড এন্টারটেইনমেন্টের ব্যানারেই বের হয় পরের ছবিটিও নামভার্চুয়াল ভিভিড গার্ল সানি লিওন এভাবে কোনো অভিনেত্রীর নামে ছবি প্রকাশের ঘটনা ভিভিডের ইতিহাসে এটাই প্রথম এখানে তার সঙ্গে আরও অভিনয় করেন মিকালা মেনডেজ এবং ডেইজি ম্যারি এই ছবিটি তাকে এনে দেয়এভিএন সম্মাননা

ব্রাজিলে রিলিজ হয়সানি ইন ব্রাজিলএবংদ্য সানি এক্সপেরিমেন্ট ছবিগুলো ২০০৭ সালে বাজারে রিলিজ করে ভিভিড

২০০৭ সালের মার্চ মাসে আবারও সানির সঙ্গে চুক্তি করে ভিভিড চুক্তির আওতায় ছয়টি ছবিতে অভিনয় করেন সানি লিওন আর এবারই প্রথম কোনো পুরুষ অভিনেতার সঙ্গে কাজ করতে সম্মতি জানান তিনি সানির বাগদত্তা ম্যাট এরিকসন এই ছবিতে তার কো-আর্টিস্টের ভূমিকায় অভিনয় করেন পুরুষের সঙ্গে প্রথম যে ছবিটিতে তিনি অভিনয় করেন সানি সেটির নামসানি লাভস ম্যাট ছবিটি তাকে ২০০৯ সালের সেরা নারী অভিনেত্রীর পুরষ্কার এনে দেয় একসঙ্গে কয়েকটি ছবিতে অভিনয়ের পর সানি উপলব্ধি করেন ম্যাটের সঙ্গে টানা অভিনয় বাজারদর কমিয়ে দিচ্ছে এবার তিনি অন্য অভিনেতাদের সঙ্গেও অভিনয় করতে শুরু করেন যাদের মধ্যে রয়েছেন টমি গান, চার্লস ডেরা জেমস ডিন প্রমুখ
তবে সচেতন ভাবে এই পেশাকে বেছে নেওয়া সানি দুনিয়ার পরোয়া কোনদিনই করেননি। চিন্তা শুধু ছিল মা-বাবাকে নিয়ে। বাড়িতে জানানোর পর প্রথমে মেনে নিতে পারেননি তাঁরা। কিন্তু কোনওদিনই মেয়েকে ত্যাগ করেননি। এমনকী তাঁর সঙ্গে যোগযোগও বন্ধ করেননি। কিছুদিন পর সানির সিদ্ধান্ত মেনে নেন তাঁরা। তবে নিজের আমেরিকার বাড়িতে নিজের একটিও ডিভিডি রাখেননি সানি। তাঁর বাড়িতে গেলে কেউ বুঝতেই পারবেন না তাঁর জীবনধারণের উপায়। জি-নিউজ।

এক নজরে সানি লিয়ন

জন্ম : করেনজিত কউর ভোহরা,
মে ১৩, ১৯৮১
(বয়স ৩৪)
সারনিয়া, অন্টারিও,কানাডা
জাতীয়তা :কানাডীয়/মার্কিন
বংশোদ্ভূত পাঞ্জাবি
উচ্চতা ’ – ” (.৬৩ মিটার)
ওজন ১১০ পা (৫০ কেজি;
. স্টো)
দম্পতি:ড্যানিয়েল ওয়েবার (২০১১
বর্তমান)
প্রাপ্তবয়স্ক চলচ্চিত্রের সংখ্যা:
অভিনেত্রী হিসেবে-৫২,
পরিচালক হিসেবে -৫১
(আইএএফডি
অনুযায়ী)
ওয়েবসাইট www.sunnyleone.co
করেনজিত কউর ভোহরা :
( ইংরেজি: Sunny Leone) (জন্ম ১৩
মে ,১৯৮১) সানি লিওন
নামে পরিচিত, একজন ভারতীয়
বংশোদ্ভূত কানাডীয়
এবং আমেরিকান নারী-ব্যবসায়ী,
মডেল এবং প্রাক্তন পর্নোতারকা
২০০৩ সালে তাঁকে পেন্টহাউস
বর্ষসেরা পেটস এবং ভিভিড
এন্টারটেনমেন্টের একজন
চুক্তি তারকা ছিলেন তিনি
ম্যাক্সিম বিশ্বেসেরা ১০
পর্ণোতারকার একজন
হিসেবে নির্বাচিত হন ২০১০
সালে

0 comments:

Post a Comment

 
TOP